ফেসবুক প্রোফাইল ছবিও সুরক্ষিত নয়


নিউ ইয়র্ক: বুড়ো বয়সে আপনাকে দেখতে কেমন লাগবে? এই প্রশ্নের ফাঁদে পড়েই স্মার্টফোনে ‘ফেসঅ্যাপ’ নামানোর ধুম! ২০১৭-এর শুরুর দিকে প্রথম এই ‘ফেসঅ্যাপ’-এর আত্মপ্রকাশ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে তারা অবলীলায় কারও চেহারাকে কমবয়সি বা বুড়ো করে দিতে পারে। পুরুষ হয়ে যেতে পারেন মহিলা বা উল্টোটা, গোমড়া মুখে হাসি ফোটাতে পারে এই অ্যাপ। এ নিয়ে কিছুদিন উন্মাদনা চললেও তা চাপা পড়ে গিয়েছিল। চলতি সপ্তাহে ফের একবার ‘ফেসঅ্যাপ’ ইনস্টল করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়ার উন্মাদনা। সে অবধি ঠিকই ছিল। বিপত্তিটা বাঁধল বুধবার সকালে। মার্কিন সংবাদপত্র ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর শিরোনাম, ‘এখন আমাদের সব পুরোনো ছবি রাশিয়ানদের হাতে’ অর্থাৎ, রুশ সংস্থা ‘ফেসঅ্যাপে’র মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সব ফটো সংগ্রহ করে নিচ্ছে! এই কথা প্রচার হতেই ‘ফেসঅ্যাপ’ আনইনস্টল করার ধুম। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ‘ফেসঅ্যাপ’ কি সত্যিই গোপনীয়তার অধিকার ভঙ্গ করছে?

বিতর্কের সূত্রপাত ‘ফেসঅ্যাপে’র ‘টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে’র একটি শর্ত নিয়ে। সেখানে বলা হয়েছিল, ‘আপলোডিং অল ইয়োর ফটোস’। খুঁটিয়ে না পড়েই ব্যবহারকারীরা সেই শর্তে সম্মতি দিয়েছেন, যার অর্থ ফোনের সব ছবি চলে যাচ্ছে ‘ফেসঅ্যাপ’ সংস্থার হাতে। রাশিয়ার সেন্ট পিটাসবার্গের এই সংস্থা অবশ্য বিতর্কের মুখে বিবৃতি দিয়েছে, ‘আপলোড হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ ছবি আমাদের সার্ভার থেকে ডিলিট হয়ে যায়।’ তাদের বিবৃতির সারাংশ করলে দাঁড়ায়, ‘ফেসঅ্যাপ’ আপনার ছবি নিয়ে যা খুশি করতেই পারে, কিন্তু তারা খুব ভালো সংস্থা, তাই তারা এটা করবে না।

READ ALSO  Long Validity Plans introduced by Tata Sky, Dish TV

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ‘ফেসঅ্যাপ’ একাই কি এই ভাবে ব্যবহারকারীর ছবি বা তথ্য সংগ্রহ করছে?

তথ্য বলছে ‘না’। ফেসবুকের নিজস্ব ‘টার্মস অফ সার্ভিসে’ বলাই আছে, ‘আপনি যদি ফেসবুকে কোনও ছবি শেয়ার করেন, তার অর্থ সেই ছবি স্টোর, কপি ও শেয়ার করার অনুমতি দিচ্ছেন।’ অর্থাৎ, ফেসবুকের হাতে ইতিমধ্যেই আপনার বহু ছবি চলে গিয়েছে। একইভাবে ‘পার্সোনালিটি টেস্টে’র মতো অ্যাপও বহু ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারকারীর অজান্তে কুক্ষিগত করে। ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা’ বিতর্কের সময়ই সামনে এসেছিল, ‘পার্সোনালিটি টেস্টে’ ব্যবহৃত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য তাদের কাছে বিক্রি করেছিল। সেক্ষেত্রে ‘ফেসঅ্যাপ’-এর গোপনীয়তার অধিকার ভঙ্গ নতুন কোনও ঘটনা নয়। — সংবাদসংস্থা

নিউ ইয়র্ক: বুড়ো বয়সে আপনাকে দেখতে কেমন লাগবে? এই প্রশ্নের ফাঁদে পড়েই স্মার্টফোনে ‘ফেসঅ্যাপ’ নামানোর ধুম! ২০১৭-এর শুরুর দিকে প্রথম এই ‘ফেসঅ্যাপ’-এর আত্মপ্রকাশ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে তারা অবলীলায় কারও চেহারাকে কমবয়সি বা বুড়ো করে দিতে পারে। পুরুষ হয়ে যেতে পারেন মহিলা বা উল্টোটা, গোমড়া মুখে হাসি ফোটাতে পারে এই অ্যাপ। এ নিয়ে কিছুদিন উন্মাদনা চললেও তা চাপা পড়ে গিয়েছিল। চলতি সপ্তাহে ফের একবার ‘ফেসঅ্যাপ’ ইনস্টল করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়ার উন্মাদনা। সে অবধি ঠিকই ছিল। বিপত্তিটা বাঁধল বুধবার সকালে। মার্কিন সংবাদপত্র ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর শিরোনাম, ‘এখন আমাদের সব পুরোনো ছবি রাশিয়ানদের হাতে’ অর্থাৎ, রুশ সংস্থা ‘ফেসঅ্যাপে’র মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সব ফটো সংগ্রহ করে নিচ্ছে! এই কথা প্রচার হতেই ‘ফেসঅ্যাপ’ আনইনস্টল করার ধুম। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ‘ফেসঅ্যাপ’ কি সত্যিই গোপনীয়তার অধিকার ভঙ্গ করছে?

READ ALSO  Qualcomm Snapdragon 865 beats Apple A12 Bionic

বিতর্কের সূত্রপাত ‘ফেসঅ্যাপে’র ‘টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে’র একটি শর্ত নিয়ে। সেখানে বলা হয়েছিল, ‘আপলোডিং অল ইয়োর ফটোস’। খুঁটিয়ে না পড়েই ব্যবহারকারীরা সেই শর্তে সম্মতি দিয়েছেন, যার অর্থ ফোনের সব ছবি চলে যাচ্ছে ‘ফেসঅ্যাপ’ সংস্থার হাতে। রাশিয়ার সেন্ট পিটাসবার্গের এই সংস্থা অবশ্য বিতর্কের মুখে বিবৃতি দিয়েছে, ‘আপলোড হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ ছবি আমাদের সার্ভার থেকে ডিলিট হয়ে যায়।’ তাদের বিবৃতির সারাংশ করলে দাঁড়ায়, ‘ফেসঅ্যাপ’ আপনার ছবি নিয়ে যা খুশি করতেই পারে, কিন্তু তারা খুব ভালো সংস্থা, তাই তারা এটা করবে না।

READ ALSO  Facebook.com | Facebook | Facebook App

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ‘ফেসঅ্যাপ’ একাই কি এই ভাবে ব্যবহারকারীর ছবি বা তথ্য সংগ্রহ করছে?

তথ্য বলছে ‘না’। ফেসবুকের নিজস্ব ‘টার্মস অফ সার্ভিসে’ বলাই আছে, ‘আপনি যদি ফেসবুকে কোনও ছবি শেয়ার করেন, তার অর্থ সেই ছবি স্টোর, কপি ও শেয়ার করার অনুমতি দিচ্ছেন।’ অর্থাৎ, ফেসবুকের হাতে ইতিমধ্যেই আপনার বহু ছবি চলে গিয়েছে। একইভাবে ‘পার্সোনালিটি টেস্টে’র মতো অ্যাপও বহু ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারকারীর অজান্তে কুক্ষিগত করে। ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা’ বিতর্কের সময়ই সামনে এসেছিল, ‘পার্সোনালিটি টেস্টে’ ব্যবহৃত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য তাদের কাছে বিক্রি করেছিল। সেক্ষেত্রে ‘ফেসঅ্যাপ’-এর গোপনীয়তার অধিকার ভঙ্গ নতুন কোনও ঘটনা নয়। — সংবাদসংস্থা

Please follow and like us:
error

Have any Question or Comment?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Sidebar Ad

Ad

Ads

ad 2